মধ্যপ্রাচ্যবিষয়ক বিশেষজ্ঞ রস হ্যারিসন বলেছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অর্থনৈতিক চাপকে ‘ডি-ডে’ বললেও এর মাধ্যমে ইরানকে নতি স্বীকারে বাধ্য করা সম্ভব হবে না। ২২ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত আল-জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি এ কথা বলেন। হ্যারিসনের মতে, ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্র সরে যাওয়ার পর সর্বোচ্চ চাপের নিষেধাজ্ঞা পুনর্বহাল হওয়ার পর থেকেই ইরানের মানুষ অর্থনৈতিক ‘ডি-ডে’র মধ্য দিয়ে যাচ্ছে।
হ্যারিসন বলেন, ইরানকে নতি স্বীকার করানোর পরিস্থিতি সামরিক অভিযান তৈরি করতে পারেনি বলেই ট্রাম্প অর্থনৈতিক চাপ বোঝাতে সামরিক পরিভাষা ব্যবহার করছেন। তবে এ ধরনের চাপ প্রয়োগ করে ট্রাম্প যে ফল আশা করছেন, তা বাস্তবে অর্জিত হবে কি না, সে বিষয়ে তিনি যথেষ্ট সন্দিহান।
তার মতে, চীন এখনো ইরানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সহায়তার উৎস এবং দেশটির বড় ‘জীবনরেখা’ হতে পারে। কিন্তু এই সম্পর্ককে লক্ষ্য করে যুক্তরাষ্ট্র পদক্ষেপ নিলে ওয়াশিংটনের জন্য বড় ঝুঁকি তৈরি হতে পারে, কারণ চীনেরও যুক্তরাষ্ট্রের বিরুদ্ধে প্রয়োগের মতো নানা প্রভাব ও ক্ষমতা রয়েছে। আগামী মাসে ওয়াশিংটনে সি চিন পিং ও ট্রাম্পের সম্ভাব্য বৈঠকের প্রেক্ষাপটে, চীনের সঙ্গে সম্পর্ক ক্ষতিগ্রস্ত করার মূল্য যুক্তরাষ্ট্র দেবে কি না, সেটিই গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন বলে তিনি মন্তব্য করেন।