বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি) মার্চ ২০২৬-এ দুই দফায় জেট ফুয়েলের দাম বাড়িয়ে অভ্যন্তরীণ রুটে প্রতি লিটার ১১২ টাকা ৪১ পয়সা থেকে ২০২ টাকা ২৯ পয়সা এবং আন্তর্জাতিক রুটে ০.৭৩৮৪ ডলার থেকে ১.৩২১৬ ডলার নির্ধারণ করেছে। মাত্র ১৬ দিনের ব্যবধানে প্রায় ৮০ শতাংশ মূল্যবৃদ্ধির ফলে দেশি প্রাইভেট এয়ারলাইনসগুলো ফ্লাইট ভাড়া এক হাজার থেকে এক হাজার ২০০ টাকা পর্যন্ত বাড়িয়েছে। এতে যাত্রীসংখ্যা কমে যাওয়া ও কিছু রুট বন্ধ হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অ্যাভিয়েশন অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশসহ খাতসংশ্লিষ্টরা এই মূল্যবৃদ্ধিকে অযৌক্তিক বলে দাবি করেছে। তাদের মতে, দেশে জেট ফুয়েলের কোনো ঘাটতি নেই এবং পার্শ্ববর্তী দেশগুলোর তুলনায় বাংলাদেশের দাম অস্বাভাবিক বেশি। বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, হঠাৎ এই বৃদ্ধি এয়ারলাইনসগুলোর আর্থিক সক্ষমতাকে চাপে ফেলবে, যাত্রী চাহিদা কমাবে এবং অপারেশনাল স্থিতিশীলতা ব্যাহত করবে।
জ্বালানি ব্যয় বৃদ্ধির প্রভাব কার্গো পরিবহন ও সামগ্রিক অর্থনীতিতেও পড়বে। বিশেষ করে ছোট ও নতুন এয়ারলাইনসগুলোর জন্য পরিস্থিতি আরও কঠিন হয়ে উঠতে পারে।