ফ্রান্সজুড়ে চলমান শিক্ষা বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে স্টান গ্রেনেডের ব্যবহার স্থগিত করা হয়েছে। সপ্তাহের শুরুতে একটি গ্রেনেড বিস্ফোরণে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোর আহত হওয়ার পর এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী লরাঁ ন্যুনিয়েজ জানান, সোমবার লঁসে ঘটে যাওয়া ঘটনার প্রকৃত কারণ নির্ধারিত না হওয়া পর্যন্ত এই স্থগিতাদেশ বহাল থাকবে।
কিশোর আহত হওয়ার ঘটনা নিয়ে কর্তৃপক্ষ ও বিক্ষোভকারীদের বক্তব্য পরস্পরবিরোধী। কর্তৃপক্ষ বলছে, পুলিশের ছোড়া গ্রেনেডটি কিশোরটি মাটি থেকে তুলে নেওয়ার পর বিস্ফোরিত হয়। শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একজন পুলিশ কর্মকর্তা গ্রেনেডটি সরাসরি কিশোরটির গায়ে ছুড়েছিলেন। কয়েকটি সংগঠন শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে পুলিশের অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের অভিযোগ করেছে। পুলিশের আচরণ যথাযথ ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে আইজিপিএন ১৮টি তদন্ত শুরু করেছে।
বুধবার বিক্ষোভের কারণে ফ্রান্সে পাঁচ শতাধিক স্কুল পুরোপুরি বা আংশিক বন্ধ ছিল। প্রধানমন্ত্রী সেবাস্তিয়াঁ লেকোর্নুর ওই সন্ধ্যায় বিক্ষোভ নিয়ে বক্তব্য দেওয়ার কথা ছিল। মঙ্গলবার উন্নত শিক্ষাব্যবস্থার পরিবেশের দাবিতে কয়েক লাখ মানুষ রাস্তায় নামে; কয়েকটি শহরে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও জলকামান ব্যবহার করে। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের হিসাবে, ৪৮৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা বাহিনীর ৪৩ সদস্য আহত হয়েছেন।