২০২৬ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত জিবলু রহমানের একটি প্রতিবেদনে ১৯৭৩ সালের ৭ মার্চ অনুষ্ঠিত বাংলাদেশের প্রথম জাতীয় নির্বাচনে ব্যাপক ভোট জালিয়াতি, ভয়ভীতি ও সহিংসতার অভিযোগ পুনরায় তুলে ধরা হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ রাষ্ট্রীয় সম্পদ, প্রশাসনিক প্রভাব ও দমনমূলক কৌশল ব্যবহার করে একচ্ছত্র বিজয় অর্জন করে। বেশ কয়েকজন প্রার্থীকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয় এবং মওলানা ভাসানীর ন্যাপ ও জাসদসহ বিরোধী দলগুলো ফলাফল কারচুপির অভিযোগ তোলে।
প্রতিবেদনে সমকালীন সংবাদপত্র ও রাজনৈতিক নেতাদের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, ভোটকেন্দ্রে ব্যালট বাক্স ছিনতাই, পোলিং এজেন্টদের ওপর হামলা এবং রক্ষীবাহিনীর ভয় প্রদর্শনের ঘটনা ঘটে। বিরোধী নেতারা অভিযোগ করেন, নির্বাচন প্রহসনে পরিণত হয়েছে এবং সরকার একদলীয় শাসন প্রতিষ্ঠার পথে এগিয়েছে। নির্বাচনে আওয়ামী লীগ ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৩টি আসনে জয়ী হয়, আর বিরোধী দলগুলোর ওপর দমন-পীড়ন ও সহিংসতা বাড়তে থাকে।
প্রতিবেদনটি উপসংহারে জানায়, ১৯৭৩ সালের নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক বিতর্কিত অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়।