অধিকৃত পশ্চিম তীরের হেবরন শহরে ইসরাইলি বাহিনী প্রায় ৫ লাখ ফিলিস্তিনিকে অবরুদ্ধ করে রেখেছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় হামলা ও ব্যাপক ঘরবাড়ি গুঁড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় আতঙ্ক ছড়িয়েছে। গভীর রাতে দুই শতাধিক পরিবারকে নিজেদের বাড়ি ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছে; তারা কবে ফিরতে পারবেন, তা জানেন না। আলজাজিরার সাংবাদিক নুর ওদেহ বিরজেইত থেকে এ প্রতিবেদন জানিয়েছেন।
প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইসরাইলি বাহিনীর ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের পর হেবরনের ফারশ আল-হাওয়া এলাকা সম্পূর্ণ বদলে গেছে। শহরের অন্য এলাকাগুলোর ভবিষ্যৎ নিয়েও উদ্বেগ বাড়ছে। জোরপূর্বক দখল করা কয়েকটি বাড়িতে ইসরাইলি সেনারা অবস্থান নিয়েছেন এবং সেগুলোকে সামরিক চৌকিতে পরিণত করেছেন। বাস্তুচ্যুত পরিবারগুলোর জন্য হেবরন পৌরসভা অস্থায়ী আশ্রয়ের ব্যবস্থা করেছে, তবে এই দুর্ভোগ কত দিন চলবে তা অনিশ্চিত।
পরিস্থিতিতে ফিলিস্তিনের শিক্ষা মন্ত্রণালয় হেবরনের স্কুলগুলোর জন্য বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে আগামী দুই দিন শিশুদের বাড়িতে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। অধিকৃত পশ্চিম তীরজুড়ে শত শত ইসরাইলি সামরিক তল্লাশিচৌকি চলাচল সীমিত করে বিভিন্ন ফিলিস্তিনি জনপদকে বিচ্ছিন্ন করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এসব চৌকিতে ফিলিস্তিনিদের বছরে গড়ে ৭৭ ঘণ্টা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়, যা অর্থনীতি ও মৌলিক সেবাও ব্যাহত করছে।