তাড়াশ উপজেলায় নতুন সার ডিলার নিয়োগের তালিকাকে ঘিরে কোটি টাকার লেনদেন, রাজনৈতিক প্রভাব, স্বজনপ্রীতি ও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কৃষি মন্ত্রণালয় মঙ্গলবার রাতে তালিকা প্রকাশের পর বিএনপির একাংশের নেতাকর্মী, ব্যবসায়ী ও বিরোধী রাজনৈতিক নেতাদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে। অভিযোগকারীদের দাবি, দীর্ঘদিনের সার ও কীটনাশক ব্যবসায়ীদের বাদ দিয়ে বিএনপি নেতাদের আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠজনদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।
তালিকায় উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীরের ছেলে খন্দকার শাফি জাহাঙ্গীরসহ স্থানীয় বিএনপি নেতাদের কয়েকজন আত্মীয়ের নাম রয়েছে। তালিকা বিশ্লেষণ ও মাঠপর্যায়ের খোঁজের ভিত্তিতে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মনোনীত অনেকের প্রয়োজনীয় ব্যবসায়িক অভিজ্ঞতা নেই। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতার বদলে রাজনৈতিক পরিচয়, দলীয় সুপারিশ, প্রভাবশালীদের আত্মীয়তা এবং কথিত অর্থ লেনদেনকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তাড়াশে বিসিআইসির ১২ জন, বিএডিপির ১৭ জন এবং ইউনিয়ন পর্যায়ে ৭২ জন সাব-ডিলার রয়েছেন। বাংলাদেশ ফার্টিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের তাড়াশ উপজেলা সভাপতি মো. আমিরুজ্জামান বিদ্যমান ডিলারদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার কথা জানান এবং অনভিজ্ঞদের নিয়োগে সার বিতরণে ঝুঁকির আশঙ্কা করেন। সিরাজগঞ্জের জেলা প্রশাসক মো. আমিনুল ইসলাম বলেন, লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।