যুক্তরাজ্য সরকারের ১৬ ও ১৭ বছর বয়সীদের জন্য প্রস্তাবিত রাতের সামাজিকমাধ্যম কারফিউ মানতে চান না অধিকাংশ কিশোর-কিশোরী। শুক্রবার প্রকাশিত সেন্সাসওয়াইডের এক জরিপে দেখা গেছে, ১৬ থেকে ১৮ বছর বয়সী অংশগ্রহণকারীদের ৮৫ শতাংশ এই নিষেধাজ্ঞা বাতিল করার পক্ষে। পরিকল্পনাটি জুলাইয়ের মাঝামাঝি সময়ে প্রকাশ করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমারের সরকারের আমলে।
প্রস্তাবিত ব্যবস্থায় কিশোরদের সামাজিকমাধ্যম অ্যাকাউন্টে ডিফল্টভাবে রাতের সময়সীমা চালু থাকবে। মধ্যরাত থেকে ভোর ৬টা পর্যন্ত তারা প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করতে পারবে না, তবে ব্যবহারকারীরা চাইলে সেটি বন্ধ করতে পারবেন। জরিপে প্রায় অর্ধেক কিশোর বন্ধু ও পরিবারের সঙ্গে কথা বলার জন্য ফিচারটি বন্ধ করার কথা জানিয়েছে। আরও ৩৭ শতাংশ বলেছে, অনলাইন কনটেন্ট দেখার জন্য তারা কারফিউ থেকে বেরিয়ে আসবে।
অনলাইন রেসপনসিবিলিটি নেটওয়ার্কের নিয়ন্ত্রক বিভাগের প্রধান লিয়ান প্রোক্টর বলেন, শুধু কারফিউ চালু করলে অনলাইনের ক্ষতিকর প্রভাব ঠেকানোর সম্ভাবনা কম। এক হাজার কিশোরের জরিপে ২ শতাংশ স্কুল চলাকালীন রাতে সামাজিকমাধ্যম বা স্বল্পদৈর্ঘ্যের ভিডিও এড়িয়ে চলার কথা বলেছে, আর ১৮ শতাংশের বেশি রাত ১টা বা তার পর পর্যন্ত কনটেন্ট দেখে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রিজেট ফিলিপসন জানান, অনেকে ডিফল্ট সেটিং বন্ধ করলে স্বেচ্ছামূলক ব্যবস্থায় পরিবর্তন বিবেচনা করা হবে।