বাংলাদেশ ব্যাংক প্রভিশন ঘাটতি পূরণের জন্য ১৯টি ব্যাংককে মোট দুই লাখ ৬৩ হাজার ২১০ কোটি টাকার ডেফারেল সুবিধা দিয়েছে। ২০২৫ সালের আর্থিক প্রতিবেদনে দেখা গেছে, এর মধ্যে ১১টি ব্যাংক মুনাফা দেখাতে সক্ষম হলেও ৮টি ব্যাংক বড় অঙ্কের লোকসানে পড়েছে। মুনাফা দেখানো ব্যাংকগুলোও লভ্যাংশ দিতে পারেনি, কারণ কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নীতিমালা অনুযায়ী প্রভিশন ঘাটতি থাকা অবস্থায় তা নিষিদ্ধ। এই সুবিধা ব্যাংকগুলোর আর্থিক প্রতিবেদন তুলনামূলক ভালো দেখাতে সহায়তা করেছে।
কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কর্মকর্তারা জানান, প্রতি বছর প্রভিশন ঘাটতিতে থাকা ব্যাংকগুলোকে এ সুবিধা দেওয়া হয়, তবে অধিকাংশ ব্যাংকই ঘাটতি সমন্বয় করতে ব্যর্থ হচ্ছে। ২০২৫ সাল থেকে কার্যকর নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের বেশি, তারা কোনো লভ্যাংশ ঘোষণা করতে পারবে না। ফলে গত বছর প্রায় ৩৪টি ব্যাংক লভ্যাংশ দিতে পারেনি।
একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ডেফারেল সুবিধা না থাকলে ব্যাংকগুলোর মূলধন ঘাটতি আরও বাড়ত এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে অর্থায়নের ব্যয় বৃদ্ধি পেত।