সৌদি আরবের রিয়াদের কিং খালিদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ৬ থেকে ১১ অক্টোবরের মধ্যে ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় বিমান চলাচল ব্যাহত হয়েছে এবং আকাশ প্রতিরক্ষা, বেসামরিক নিরাপত্তা ও দেশটির অর্থনৈতিক উচ্চাকাঙ্ক্ষা নিয়ে উদ্বেগ বেড়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, হামলায় অন্তত ১৩ জন নিহত ও তিন শতাধিক আহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ভারতীয় নাগরিক মোহাম্মদ ইউসুফ এবং বাংলাদেশের আলেম মুফতি মো. নাসরুল্লাহ বদরপুরের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। হতাহতদের মধ্যে ওমরাহযাত্রী ও বিদেশি কর্মীরাও ছিলেন।
সৌদি আরব প্যাট্রিয়ট ব্যবস্থা, বহুস্তরীয় রাডার ও আগাম সতর্কীকরণ প্রযুক্তি ব্যবহার করলেও কম খরচের ড্রোন, নিচু দিয়ে উড়ে আসা ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের সমন্বিত হামলা প্রতিরক্ষায় চাপ সৃষ্টি করতে পারে। একটি প্যাট্রিয়ট ইন্টারসেপ্টরের দাম প্রায় ৩০ থেকে ৪০ লাখ ডলার, বিপরীতে আক্রমণাত্মক ড্রোন তৈরির খরচ ২০ হাজার থেকে ৫০ হাজার ডলার হতে পারে। আল-আজহার, অন্যান্য ইসলামি প্রতিষ্ঠান ও ওআইসি হামলার নিন্দা জানিয়েছে এবং যাত্রী সুরক্ষার ওপর জোর দিয়েছে।
হামলার পর সৌদিয়া রিয়াদ থেকে নির্ধারিত ফ্লাইটের বড় অংশ বাতিল করে; ১১ অক্টোবর পর্যন্ত বিমানবন্দরের চলাচলও ব্যাপকভাবে কমে যায়। রিয়াদ এয়ার কার্যক্রম স্থগিত করে এবং এমিরেটস, ইতিহাদ ও কাতার এয়ারওয়েজের সংযোগ ফ্লাইটে বিঘ্ন ঘটে। নিবন্ধে হজ ও ওমরাহ যাত্রাপথকে আন্তর্জাতিক সুরক্ষার আওতায় আনতে ‘স্যাক্রেড করিডর’ গঠনের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে এবং প্রযুক্তির পাশাপাশি রাজনৈতিক ও কূটনৈতিক সমাধানের প্রয়োজনীয়তার কথা বলা হয়েছে।