দরিদ্র পরিবারের জন্য সরকারের বহুল আলোচিত ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি আনুষ্ঠানিক শুরুর আগেই তথ্য সংগ্রহকারী ও সুপারভাইজার নিয়োগ নিয়ে বিভিন্ন জেলায় অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। ১৩ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে দলীয়করণ, স্বজনপ্রীতি, যোগ্যতা না থাকা সত্ত্বেও পছন্দের প্রার্থী নিয়োগ এবং রাজনৈতিক প্রভাবের অভিযোগের কথা বলা হয়েছে। সরকার ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ডে কর্মসূচিটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা জানিয়েছে।
পরিকল্পনা অনুযায়ী চার বছরে এক কোটি ৬০ লাখ পরিবারকে কর্মসূচির আওতায় আনার লক্ষ্য রয়েছে। সরকারের ভাষ্য, প্রকৃত দরিদ্রদের অন্তর্ভুক্ত করতে তথ্য নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে এবং ইউনিয়ন থেকে জাতীয় পর্যায় পর্যন্ত বহুস্তরীয় তদারকি কমিটি থাকবে। তবে সাতক্ষীরা, শ্যামনগর, কিশোরগঞ্জ, নওগাঁ, গাইবান্ধাসহ বিভিন্ন এলাকার তালিকায় রাজনৈতিক পরিচয় বা পারিবারিক সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে অভিযোগের পর নিয়োগ বাতিলের কথাও প্রতিবেদনে এসেছে।
নিকলী, ফুলছড়ি ও কুমারখালীতে বিক্ষোভ, মানববন্ধন ও ইউএনও কার্যালয় ঘেরাওয়ের খবর পাওয়া গেছে। নিয়োগ ঘিরে প্রতিবাদ ছড়িয়ে পড়ার পর খুলনার দিঘলিয়া, পাইকগাছা ও তেরখাদায় ফল প্রকাশ স্থগিত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। জাতীয় নাগরিক পার্টির মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম ইমাম-মুয়াজ্জিনদের সম্মানী ভাতা কার্যক্রমেও স্থানীয় পর্যায়ে দলীয়করণের অভিযোগ তুলেছেন।