চট্টগ্রাম বন্দরের প্রধান নৌ-চ্যানেল ও বহির্নোঙরে একের পর এক দুর্ঘটনা, বিদেশি জাহাজে ডাকাতি এবং অবৈধ জালের কারণে নিরাপত্তা শঙ্কা বেড়েছে। ১৮ আগস্ট প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়, ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে আলফা অ্যাংকরেজে চারটি মাদার ভেসেলের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। পতেঙ্গা থেকে কুতুবদিয়া পর্যন্ত প্রায় ৬২ নটিক্যাল মাইল নেভিগেশনাল রুটে এসব ঘটনার প্রভাব পড়ছে।
শনিবার রাতে এমভি আনাসসা নোঙর করার সময় এমভি জাহানকে ধাক্কা দেয়। শুক্রবার প্রায় ৩৩ হাজার মেট্রিক টন ডিজেলবাহী এমটি সি স্পাইক তীব্র স্রোতে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে এমভি সান শাইনের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়ায়; এতে ট্যাংকারের ইঞ্জিনকক্ষে ফাটল ও সাময়িক বিদ্যুৎ বিপর্যয় ঘটে। ৩ আগস্ট এমভি সিএনসি ইউরেনাস যান্ত্রিক ত্রুটির দাবির মধ্যে রেড বয়ায় ধাক্কা খেয়ে রিটেইনিং ওয়ালে আটকে যায়।
গত এক মাসে তিনটি বিদেশি পতাকাবাহী জাহাজে ডাকাতির অভিযোগও উঠেছে। বাংলাদেশ লাইটারেজ শ্রমিক ইউনিয়ন অবৈধ জাল অপসারণ না হলে জাহাজ চলাচল বন্ধের হুঁশিয়ারি দিয়েছে। বন্দর কর্তৃপক্ষের সচিব কেফায়েত হামিম প্রাথমিকভাবে প্রবল স্রোতকে দুর্ঘটনার কারণ বলেছেন এবং প্রতিটি ঘটনার জন্য পৃথক তদন্ত কমিটি গঠনের কথা জানিয়েছেন।