আমার দেশ-এ ২০ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত একটি মন্তব্যধর্মী লেখায় মহেশখালী-মাতারবাড়ী উপকূলে বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং বা এসপিএম প্রকল্প চালুতে বিলম্ব এবং এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ টেন্ডার নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে। লেখাটিতে বলা হয়েছে, এই স্থাপনার মাধ্যমে বড় ট্যাংকার থেকে পাইপলাইনে তেল মহেশখালীর সংরক্ষণাগারে এবং পরে চট্টগ্রামের ইস্টার্ন রিফাইনারিতে নেওয়ার কথা। লেখক প্রকল্পটির সফল কমিশনিং না হওয়ায় সরকারি হস্তক্ষেপ চেয়েছেন।
লেখা অনুযায়ী, ২০১৫ সালে প্রায় ৪,৯৩৬ কোটি টাকায় প্রকল্পটির চুক্তি হয় এবং ২০১৮ সালের মধ্যে শেষ হওয়ার কথা ছিল। তিন দফা মেয়াদ বাড়ার পর ব্যয় প্রায় ৮,৩৪১ কোটি টাকায় পৌঁছায় বলে এতে উল্লেখ করা হয়। ২৪ জুন ২০২৪ সৌদি আরব থেকে আসা জাহাজের প্রায় ৮২ হাজার টন অপরিশোধিত তেল খালাসের পরীক্ষার সময় পাইপলাইনে লিক হয়ে সাগরে তেল ছড়িয়ে পড়ে বলে লেখাটি দাবি করে।
লেখক অভিযোগ করেছেন, ডিসেম্বর ২০২৫-এর পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণ টেন্ডার প্রক্রিয়ায় তিনটি দরপত্রের মধ্যে মাত্র একটিকে কারিগরিভাবে উপযুক্ত বলা হয়। তিনি পূর্ণাঙ্গ নিরপেক্ষ টেস্ট রান, ত্রুটি নির্ণয়, আগের ঠিকাদারের দায় নির্ধারণ, ক্রয়বিধি অনুযায়ী টেন্ডার পুনর্বিবেচনা এবং প্রয়োজনে উন্মুক্ত আন্তর্জাতিক পুনঃদরপত্রের আহ্বান জানিয়েছেন।