চট্টগ্রাম বিভাগের স্পেশাল জজ মিজানুর রহমানের আদালত চাম্বল ইউনিয়নের চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ আহ্বায়ক মুজিবুল হক চৌধুরীকে দুর্নীতির মামলায় সাত বছরের কারাদণ্ড দিয়েছেন। বৃহস্পতিবার, ১৬ এপ্রিল ২০২৬ তারিখে ঘোষিত এই রায়ে অর্থদণ্ড অনাদায়ে আরও এক বছরের বিনাশ্রম কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় মুজিবুল হক একমাত্র আসামি ছিলেন এবং তিনি শুরু থেকেই পলাতক রয়েছেন। তিনি এর আগে ঢাকায় নিযুক্ত যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক রাষ্ট্রদূত পিটার হাসকে প্রাণনাশের হুমকি দিয়েছিলেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, ২০২৩ সালের ২৮ ডিসেম্বর দুদকের চট্টগ্রাম কার্যালয় মুজিবুল হক ও তার স্ত্রী সাহেদা বেগমের বিরুদ্ধে পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে। অভিযোগে বলা হয়, মুজিবুল হক জ্ঞাত আয়ের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ প্রায় ৫৬ লাখ ৭১ হাজার টাকার সম্পদ অর্জন করেন এবং বৈধ অর্থ প্রেরণের কোনো প্রমাণ দেখাতে পারেননি। তার স্ত্রীর বিরুদ্ধেও প্রায় ৮৬ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মামলা বিচারাধীন রয়েছে।
রিপোর্টে আরও উল্লেখ করা হয়, চেয়ারম্যান থাকাকালে মুজিবুল হক দরিদ্রদের কর্মসংস্থান কর্মসূচির অর্থ আত্মসাৎ করেন এবং আন্তর্জাতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে অশালীন মন্তব্যের ঘটনায় সাময়িক বরখাস্ত হয়েছিলেন।