শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের তত্ত্ববিদ জন মিয়ারশাইমার বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও কেন্দ্রগুলোতে হামলায় ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের উচ্চ কার্যকারিতা প্রমাণিত হয়েছে। ১১ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত এই মূল্যায়নে তিনি বলেন, পশ্চিম এশিয়ায় যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি কমে যাওয়ার অন্যতম প্রধান কারণ হবে এই ক্ষেপণাস্ত্র সক্ষমতা।
মিয়ারশাইমারের মতে, ইরানের ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন প্রতিরোধে যুক্তরাষ্ট্র বা অঞ্চলের অন্য কোনো দেশের কার্যকর সমাধান নেই। তিনি দাবি করেন, এসব হামলায় মধ্যপ্রাচ্যের প্রায় সব ঘাঁটিতে গুরুতর ক্ষতি হয়েছে অথবা সেগুলো পুরোপুরি ধ্বংস হয়েছে। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, মার্কিন বাহিনী পারস্য উপসাগরীয় ঘাঁটি ছেড়ে প্রথমে জর্ডান, পরে ইসরাইল এবং শেষে ইউরোপে সরে গেছে।
তিনি আরও বলেন, চলমান সংঘাত শেষ হলেও ইরানি ক্ষেপণাস্ত্রের স্থায়ী হুমকি এবং পারস্য উপসাগরীয় দেশগুলোর মার্কিন বাহিনীকে আশ্রয় দিতে অনীহার কারণে যুক্তরাষ্ট্রের ওই অঞ্চলে ফেরার সম্ভাবনা কম। মিয়ারশাইমার বর্তমান মার্কিন নীতিকে ‘বিধ্বংসী পরাজয়’ নিশ্চিতকারী বলে বর্ণনা করেন এবং বলেন, ইরান ভৌগোলিক সুবিধা, সামরিক কৌশল ও রাশিয়া-চীনের সহায়তায় চাপিয়ে দেওয়া যুদ্ধ প্রতিরোধ করেছে।