বাংলাদেশ জাতীয় সংসদে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন (রহিতকরণ ও পুনঃপ্রচলন) বিল-২০২৬ পাস হয়েছে। এর ফলে অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারিকৃত মানবাধিকার অধ্যাদেশ বাতিল হয়ে ২০০৯ সালের জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইন পুনঃপ্রচলন করা হয়েছে। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে বৈঠকে আইনমন্ত্রী আসাদুজ্জামান বিলটি উত্থাপন করেন এবং কণ্ঠভোটে তা পাস হয়। বিরোধী দলের সদস্য এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহর আপত্তি নাকচ করা হয়।
আলোচনায় হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ২০২৫ সালের অধ্যাদেশ বাতিলের ফলে কমিশন রাজনৈতিক দমন-পীড়নের হাতিয়ার হতে পারে। তিনি অভিযোগ করেন, ২০০৯ সালের আইন কার্যকরভাবে স্বাধীন ছিল না এবং কমিশনের নির্বাচনী বোর্ডে সরকারদলীয় সদস্যরাই প্রাধান্য পেতেন। মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্তে সরকারের পূর্বানুমতি প্রয়োজন হওয়ায় স্বচ্ছতা ব্যাহত হতো বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বিষয়টি নিয়ে আরও সময় চেয়ে বলেন, এটি স্বচ্ছ রাজনীতি ও জননিরাপত্তার সঙ্গে সম্পর্কিত। স্পিকার সীমিত সময় বাড়িয়ে দেন, এরপর বিলটি পাস হয়।