দেশের ব্যস্ততম ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের সীতাকুণ্ড অংশে সংঘবদ্ধ ডাকাতচক্রের তৎপরতা বেড়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গভীর রাতে চলন্ত গাড়িতে লোহার পাইপ ও ভারী বস্তু নিক্ষেপ করে গাড়ি থামিয়ে যাত্রীদের অস্ত্রের মুখে জিম্মি করে নগদ অর্থ, মোবাইল ফোন ও স্বর্ণালংকার লুট করা হচ্ছে। ৮ মে ভাটিয়ারী ইউনিয়নে পুলিশের মাইক্রোবাসে ডাকাতির চেষ্টা ব্যর্থ হয় এবং এক ডাকাত ধরা পড়ে। পরদিন ৯ মে নুনাছড়ায় বিয়েবাড়ি ফেরত একটি মাইক্রোবাসে ডাকাতি হয়, কয়েক মিনিটেই লুটপাট সম্পন্ন হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, গভীর রাতে পর্যাপ্ত পুলিশি টহল না থাকায় নুনাছড়া, কুমিরা, ফৌজদারহাটসহ বিভিন্ন এলাকা ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে। পরিবহন সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই মহাসড়কে নিরাপত্তাহীনতা বাড়লে দেশের বাণিজ্য ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। একই সঙ্গে সীতাকুণ্ড পৌর এলাকায় ধারাবাহিক চুরি, মাদক কারবারি ও কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত জনমনে নতুন উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে।
পুলিশ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক ডাকাতি ও চুরির ঘটনাগুলো তদন্তাধীন এবং টহল জোরদার করা হয়েছে, তবে স্থানীয়রা দ্রুত দৃশ্যমান পদক্ষেপের দাবি জানিয়েছেন।