সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরান যুদ্ধ থেকে বের হওয়ার উপায় খুঁজছেন বলে জানা গেছে। ২৮ ফেব্রুয়ারি শুরু হওয়া এই আগ্রাসনে যুক্তরাষ্ট্র প্রতিদিন ৮৯০ থেকে ১০০০ কোটি ডলার ব্যয় করছে, আর ইসরাইলের মোট ব্যয় দাঁড়িয়েছে ১১২০ কোটি ডলার। যুদ্ধ-পরবর্তী পুনর্গঠনে সৌদি আরবসহ উপসাগরীয় দেশগুলোর বিপুল অর্থ প্রয়োজন হবে, যার মধ্যে সৌদি আরবের তেল ও গ্যাস স্থাপনা পুনরুদ্ধারে একাই লাগবে প্রায় ৫০০০ কোটি ডলার।
সংযুক্ত আরব আমিরাতের বেসামরিক ও জ্বালানি স্থাপনা ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। দেশটি যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অর্থনৈতিক সহায়তা নিয়ে অনানুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু করেছে। ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের তথ্যমতে, আমিরাতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক প্রধান সম্প্রতি ফেডারেল রিজার্ভের সঙ্গে মুদ্রা বিনিময়ের চেষ্টা করেছেন। অন্যদিকে, ইরান উপসাগরীয় দেশগুলোর বিরুদ্ধে ২৭ হাজার কোটি ডলার ক্ষতিপূরণ দাবি করেছে।
হোয়াইট হাউস জানিয়েছে, ১৯৯১ সালের উপসাগরীয় যুদ্ধের মতোই ট্রাম্প এবারও আর্থিক সহায়তা ভাগাভাগিতে আগ্রহী। তবে যুদ্ধের ব্যয় ও ক্ষতিপূরণের চাপ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে নড়বড়ে করতে পারে এবং ডলারের অবস্থান দুর্বল হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।