সমন্বিত গ্রাহক হিসাব বা সিসিএ এবং প্রকৃত সম্পদে ঘাটতিসহ বিভিন্ন অনিয়মের কারণে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের ২২টি ট্রেকহোল্ডার কোম্পানির লেনদেন কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। ১৭ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট হাউসগুলোর বিনিয়োগকারীরা অর্থ ফেরত না পেয়ে সংকটে পড়েছেন। ডিএসই কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, বছরের পর বছর গ্রাহকদের জমা অর্থ আইনবহির্ভূতভাবে ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহারের অভিযোগে এসব প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে।
ক্রেস্ট, বাংকো, তামহা ও মশিউর সিকিউরিটিজসহ পাঁচটি হাউস থেকে বিনিয়োগকারীদের ৬০৭ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনা ঘটেছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়। ক্রেস্টে ১২৬ কোটি, বাংকোতে ১২৮ কোটি, তামহায় ১৪০ কোটি এবং মশিউরে ১৬১ কোটি টাকার ঘাটতি পাওয়া যায়। এনআরবিসি সিকিউরিটিজে ৫২ কোটি টাকার ঘাটতি শনাক্ত হলেও প্রতিষ্ঠানটির লেনদেন চালু আছে।
বিএসইসি বলেছে, ক্ষতিগ্রস্ত বিনিয়োগকারীদের অর্থ ও শেয়ার বিনিয়োগকারী সুরক্ষা তহবিল থেকে দ্রুত পরিশোধ করতে হবে। কমিশন বিশেষ অডিটর প্যানেলের মাধ্যমে আকস্মিক পরিদর্শনের নির্দেশ দিয়েছে এবং গুরুতর অনিয়মে কার্যক্রম বন্ধ বা লাইসেন্স বাতিলের কথা জানিয়েছে। মশিউর সিকিউরিটিজের এক পরিচালক বলেন, সম্পদ বিক্রিসহ উদ্যোগ নিয়ে দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে চেক ইস্যুর আশা করছেন তারা।