ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) জানিয়েছে, অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে অভিযুক্ত পাঁচ ব্রোকারেজ হাউসের ক্ষতিগ্রস্ত ১৭ হাজার ৯২৫ বিনিয়োগকারীর মধ্যে ১৭ হাজার ৩৩২ জন প্রায় ৭২ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন। অর্থাৎ ক্ষতিগ্রস্তদের ৯৭ শতাংশ এ ক্ষতিপূরণের আওতায় আসছেন। চলতি মাসের ২৮ তারিখ থেকে অর্থ ফেরত দেওয়া শুরু হবে এবং আগামী দুই মাসের মধ্যে প্রক্রিয়াটি শেষ করার কথা বলা হয়েছে। মঙ্গলবার ঢাকার নিকুঞ্জে ডিএসই টাওয়ারে সংবাদ সম্মেলনে বিষয়টি জানানো হয়।
মশিউর, বানকো, তামহা, ক্রেস্ট ও শাহ মোহাম্মদ সগির সিকিউরিটিজ হাউসের বিরুদ্ধে বিনিয়োগকারীদের শেয়ার বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে। ঘটনাগুলো ২০২২ সাল ও তার আগে ঘটে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের প্রায় ৫৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ রয়েছে; প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রম বন্ধ, ব্যাংক হিসাব জব্দ এবং দুদক তাদের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছে।
ডিএসইর ইনভেস্টর প্রোটেকশন ফান্ড বিধিমালা অনুযায়ী, প্রতিটি গ্রাহক সর্বোচ্চ ৫ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ পাবেন। ডিএসই চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম বলেন, আগে প্রায় ৩৭ কোটি ৬০ লাখ টাকা দেওয়া হয়েছে। অভিযুক্তদের শেয়ার ও ব্যক্তিগত সম্পত্তি বিক্রির চেষ্টা এবং ভবিষ্যতে তহবিলে জমা অর্থ থেকে আরও ফেরত দেওয়ার বিষয় বিবেচনা করা হবে।