যুক্তরাষ্ট্র-ইসরাইলের যৌথ হামলার পর ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরান হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচলে বাধা দেয়, যার ফলে বৈশ্বিক তেল ও গ্যাস সরবরাহে বড় ধরনের অস্থিরতা দেখা দেয়। এর প্রভাবে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ১০০ ডলারের বেশি হয়ে যায়, যেখানে যুদ্ধের আগে দাম ছিল প্রায় ৬৫ ডলার। এই পরিস্থিতিতে অনেক দেশ অর্থনৈতিক সংকট এড়াতে তাদের কৌশলগত তেল মজুদ ব্যবহার শুরু করেছে।
১১ মার্চ ইন্টারন্যাশনাল এনার্জি এজেন্সির (আইইএ) ৩২টি সদস্য দেশ জরুরি মজুদ থেকে ৪০০ মিলিয়ন ব্যারেল তেল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেয়, যা সংস্থাটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় মজুদ ছাড়। আইইএ সদস্য দেশগুলোর কাছে বর্তমানে ১.২ বিলিয়নেরও বেশি ব্যারেল সরকারি মজুদ এবং ৬০০ মিলিয়ন ব্যারেল বেসরকারি মজুদ রয়েছে। চীনও, যদিও আইইএ সদস্য নয়, বিশ্বের অন্যতম বৃহৎ তেল মজুদধারী দেশ।
যুক্তরাষ্ট্র, জাপান, যুক্তরাজ্য এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলো—জার্মানি, ফ্রান্স, স্পেন ও ইতালি—তাদের মজুদ থেকে তেল ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছে, যাতে হরমুজ প্রণালির অবরোধজনিত সরবরাহ সংকট মোকাবিলা করা যায়।