জুলাই বিপ্লবে রামপুরা ও বাড্ডা এলাকায় ২৩ জন নিহতের ঘটনায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম এবং ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন দায়ী বলে জবানবন্দিতে উল্লেখ করেছেন সাক্ষী সাকিব আহম্মেদ তুলন। সোমবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১-এ কামরুল ও মেননের বিরুদ্ধে করা মামলায় তিনি এ দাবি করেন। ২৩ জুন প্রথম দিনের সাক্ষ্যের পর এটি ছিল তার দ্বিতীয় দিনের জবানবন্দি।
তুলন বলেন, ২০২৪ সালের ৩ আগস্ট শহীদ মিনারের কর্মসূচিতে যেতে রামপুরা ব্রিজে পুলিশ, সেনাবাহিনী ও বিজিবির বাধার মুখে পড়েন। ৪ আগস্ট ব্র্যাক ইউনিভার্সিটির সামনে থেকে শাহবাগের উদ্দেশে যাত্রার সময় তিনি পুলিশ এবং আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের কর্মীদের ককটেল ও ইটপাটকেল নিক্ষেপ করতে দেখেন বলে দাবি করেন। তার পাশে দাঁড়ানো নাম-অজানা এক ছেলে ডান কাঁধে গুলিবিদ্ধ হয় বলেও তিনি জানান।
তিনি আরও বলেন, ৫ আগস্ট বাড্ডা থানার সামনে পুলিশ এলোপাতাড়ি গুলি করছিল এবং তিনি শুনেছেন, একজন স্থানীয় ব্যক্তি মাথায় গুলিবিদ্ধ হন। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম থেকে ১৯ জুলাই কারফিউ জারির বিষয়ে গণভবনের বৈঠকে হাসিনা, মেনন ও কামরুলের উপস্থিতির কথা জানতে পারেন বলে তিনি জানান। তার দাবি, তাদের নির্দেশ বা পরামর্শে সহিংসতা চালানো হয়েছিল এবং তিনি দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চান।