বাংলাদেশের মহাসড়কগুলোতে দূরপাল্লার বাস, মোটরসাইকেল ও অন্যান্য যানবাহনের অতিরিক্ত গতির প্রতিযোগিতা ক্রমেই বাড়ছে এবং এসব দৃশ্য ফেসবুক ও ইউটিউবে ভাইরাল হচ্ছে বলে ১৭ জুন ২০২৬ তারিখের প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। চালক বা তাদের সহযোগীরা নিজেরাই এসব ভিডিও ধারণ করে সামাজিকমাধ্যমে ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যা ট্রাফিক আইন লঙ্ঘন করে দুর্ঘটনা ও হতাহতের সংখ্যা বাড়াচ্ছে। হাইওয়ে পুলিশের কার্যকর ব্যবস্থা না থাকায় এই প্রবণতা আরও উৎসাহিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে।
বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি ও রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, মে মাসে ৬১৩টি দুর্ঘটনায় ৬২২ জন নিহত হয়েছেন। রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের প্রধান নির্বাহী সাইদুর রহমান বলেছেন, মহাসড়কে স্পিড ক্যামেরা ও নজরদারির অভাব দুর্ঘটনা বৃদ্ধির অন্যতম কারণ। আইনজীবীরা মনে করেন, বিদ্যমান সড়ক পরিবহন আইন ২০১৮ ও সাইবার নিরাপত্তা আইন ২০২৬ অনুযায়ী সামাজিকমাধ্যমে প্রকাশিত ভিডিওর ভিত্তিতেই আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব।
বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এআই ক্যামেরা, জিপিএস ট্র্যাকার ও কঠোর আইন প্রয়োগের মাধ্যমে বেপরোয়া গাড়ি চালানো এবং ভাইরাল সংস্কৃতি বন্ধ করা জরুরি।