আন্তর্জাতিক সহযোগিতাভিত্তিক স্বল্পমেয়াদি গ্লোবাল প্রোগ্রাম চালু হওয়ায় শিক্ষার্থীরা এখন নিজ দেশেই বৈশ্বিক শিক্ষার অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাচ্ছেন। তুলনামূলকভাবে কম খরচে আন্তর্জাতিক শিক্ষা, গবেষণা ও আন্তঃসাংস্কৃতিক পরিবেশে অংশগ্রহণের এই সুযোগ বিশ্বজুড়ে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে। বিশেষজ্ঞরা এখন আলোচনা করছেন, দীর্ঘমেয়াদি বিদেশে পড়াশোনার তুলনায় এই প্রোগ্রাম কতটা কার্যকর।
এশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলো ইউরোপীয় ও আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে অংশীদারত্ব বাড়িয়ে শিক্ষাব্যবস্থায় নতুন পরিবর্তন আনছে। বিশেষজ্ঞদের মতে, এসব প্রোগ্রাম বিদেশি ডিগ্রির সংক্ষিপ্ত সংস্করণ নয়, বরং স্বতন্ত্র শিক্ষানভিজ্ঞতা। যারা দীর্ঘ সময় বিদেশে পড়াশোনা করতে পারেন না, তাদের জন্য এটি বাস্তবসম্মত বিকল্প। বর্তমানে নিয়োগদাতারা ডিগ্রির উৎসের চেয়ে দক্ষতা, সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন, যদিও অনেক প্রতিষ্ঠান এখনো পূর্ণাঙ্গ বিদেশি ডিগ্রিকে বেশি মূল্যায়ন করে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, স্বল্পমেয়াদি গ্লোবাল প্রোগ্রাম বিদেশে পড়াশোনার বিকল্প নয়, বরং আন্তর্জাতিক শিক্ষাকে আরও সহজলভ্য ও বহুমাত্রিক করে তুলছে, যা শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন সুযোগের দ্বার উন্মুক্ত করছে।