কার্যাদেশের সংকট ও তৈরি পোশাক খাতের চাপের মধ্যে গত ছয় মাসে চট্টগ্রামে ৫০টি কারখানা বন্ধ হয়েছে বলে জানিয়েছে শিল্প পুলিশ। এর মধ্যে ২৫টি স্থায়ীভাবে এবং ২৫টি সাময়িকভাবে বন্ধ রয়েছে। এসব কারখানার সাত হাজারের বেশি শ্রমিক চাকরি হারিয়েছেন। চালু থাকা অধিকাংশ কারখানাও কম সক্ষমতায় উৎপাদন চালাচ্ছে, আর সবচেয়ে বেশি সংকটে পড়েছে সাব-কন্ট্রাক্টে কাজ করা সহযোগী প্রতিষ্ঠানগুলো।
প্রতিবেদনে উদ্ধৃত ইউরোস্ট্যাটের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইউরোপে বাংলাদেশের পোশাক রপ্তানি ১৬.৪৩ শতাংশ কমে ৮৬৪ কোটি ৪৮ লাখ ইউরো হয়েছে। আগের বছরের একই সময়ে রপ্তানি ছিল এক হাজার ৩৪ কোটি ৪৪ লাখ ইউরো। একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ৫.৭৫ শতাংশ কমে ৪০০ কোটি ৭৮ লাখ ডলারে নেমেছে, যা ২০২৫ সালের একই সময়ে ছিল ৪২৫ কোটি ২৪ লাখ ডলার।
শিল্প পুলিশের সুপার মাহমুদা বেগম সোনিয়া বলেন, মালিকেরা কাঁচামাল সংকট, বৈশ্বিক কারণ, শ্রমিকের অসদাচরণ ও আর্থিক সংকটকে দায়ী করেছেন। শ্রমিক নেতারা ছাঁটাই, জোরপূর্বক পদত্যাগ এবং প্রাপ্য অর্থ না পাওয়ার অভিযোগ তুলেছেন। বিশ্লেষকেরা পণ্যের সীমিত বৈচিত্র্য, কটননির্ভরতা, এমএমএফ সক্ষমতার ঘাটতি, জ্বালানি সংকট, বন্দর-কাস্টম জটিলতা ও দীর্ঘ লিড টাইমকে রপ্তানি কমার বাধা বলেছেন।