এক দশকের বেশি সময় ধরে চলা ইয়েমেনের গৃহযুদ্ধ নতুন করে উত্তেজনা পেয়েছে। ইরান-সমর্থিত হুথিরা সৌদি আরব-সমর্থিত সরকারি বাহিনীর বিরুদ্ধে অভিযান জোরদার করেছে এবং দক্ষিণ সৌদি আরবেও হামলা চালিয়েছে। আনসার আল্লাহ নামেও পরিচিত হুথিরা রাজধানী সানাসহ ইয়েমেনের বিস্তীর্ণ এলাকা নিয়ন্ত্রণ করে। এই সংঘাতে দেশের রাজনৈতিক ও সামরিক বিভাজনের সঙ্গে আঞ্চলিক শক্তিগুলোর স্বার্থও জড়িয়ে আছে।
হুথিদের বিরুদ্ধে সামরিক জোটের নেতৃত্ব দিয়ে ২০১৫ সালে ইয়েমেন যুদ্ধে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে সৌদি আরব। তাদের লক্ষ্য ছিল তৎকালীন প্রেসিডেন্ট আবদ-রাব্বু মনসুর হাদির নেতৃত্বাধীন সরকার পুনর্বহাল করা। ২০২২ সালে সৌদি সমর্থনে গঠিত প্রেসিডেনশিয়াল লিডারশিপ কাউন্সিল বা পিএলসি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত সরকারের প্রতিনিধিত্ব করছে এবং স্থায়ী যুদ্ধবিরতির আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার দায়িত্বে রয়েছে।
পিএলসিতে উত্তর ও দক্ষিণ ইয়েমেনের রাজনৈতিক নেতা ও সামরিক-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা রয়েছেন; হুথিবিরোধী শক্তিগুলোকে এক কাঠামোয় রাখাই এর উদ্দেশ্য। ইসলাহ পিএলসি-নেতৃত্বাধীন সরকারের অংশ হলেও নিজস্ব পরিচয় বজায় রেখেছে। তারেক সালেহর নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল রেজিস্ট্যান্স ফোর্সেস সরকারঘনিষ্ঠ এবং সৌদি আরবের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কযুক্ত। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর লোহিত সাগরের জাহাজ ও ইসরাইলকে লক্ষ্য করে হুথি তৎপরতা সংঘাতের আন্তর্জাতিক মাত্রা বাড়িয়েছে।
Related Videos
No data found yet!
সহজে ব্যবহারের সুবিধার্থে একনজরের ওয়েব অ্যাপটি সেটাপ করে নিন।