ইরানের সঙ্গে ভবিষ্যৎ যেকোনো চুক্তিতে নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যুক্তরাষ্ট্রের কাছ থেকে স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি চাইছে উপসাগরীয় দেশগুলো। সংযুক্ত আরব আমিরাতে অবস্থানরত মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর সফরে বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। সাম্প্রতিক যুদ্ধে ইরানের পাল্টা হামলায় উপসাগরীয় দেশগুলো ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়ে। যুদ্ধের সময় আমিরাত প্রায় ২ হাজার ৮০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার শিকার হয়।
রুবিওর পরবর্তী সফর কুয়েতে হওয়ার কথা রয়েছে, যেখানে যুদ্ধ চলাকালে বিমানবন্দর, বাণিজ্যিক বন্দর ও লবণাক্ত পানি বিশুদ্ধকরণ কেন্দ্রগুলোও হামলার শিকার হয়। কুয়েত এসব স্থাপনাকে ‘রেড লাইন’ হিসেবে বিবেচনা করে, কারণ দেশটির প্রায় ৯০ শতাংশ সুপেয় পানি এসব প্ল্যান্ট থেকেই আসে।
উপসাগরীয় দেশগুলো হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তাকে কৌশলগতভাবে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মনে করে। তাই তারা চায়, ভবিষ্যতে যুক্তরাষ্ট্র-ইরান কোনো সমঝোতা হলে তাতে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা ও আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করার বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকুক।