জ্বালানির ব্যবস্থা না থাকায় খুলনার রূপসায় ৮০০ মেগাওয়াট কম্বাইন্ড সাইকেল বিদ্যুৎকেন্দ্রের ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। আমার দেশের ২৭ জুলাই ২০২৬-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রকল্পটিতে বিদেশি ঋণ ও সরকারি তহবিল থেকে সাড়ে আট হাজার কোটি টাকা ব্যয় হলেও জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ শুরু করা যায়নি। ২০২২ সালে সরবরাহ শুরুর কথা থাকলেও গ্যাসের অভাবে তা সম্ভব হয়নি।
প্রকল্পটি ২০১৮ সালে একনেক অনুমোদন দেয়। এডিবি ও আইডিবির যৌথ ৫০০ মিলিয়ন ডলারের ঋণ এবং সরকারের নিজস্ব অর্থায়নে এটি নির্মিত হয়। পেট্রোবাংলার গ্যাস সরবরাহের নিশ্চয়তার পর ঋণচুক্তি হলেও চুক্তি অনুযায়ী গ্যাস পাওয়া যায়নি। ভারতীয় এইচ এনার্জির মাধ্যমে এলএনজি সরবরাহের পরিকল্পনা এবং পরে পায়রায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের উদ্যোগও বাস্তবায়িত হয়নি।
বিচারপতি মইনুল কমিশন প্রকল্পটিকে অপ্রয়োজনীয় ও অর্থগচ্ছার প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার সুপারিশ করেছে। কর্মকর্তারা বলছেন, উৎপাদনে যাওয়ার আগেই যন্ত্রপাতির আয়ুষ্কালের প্রায় অর্ধেক শেষ এবং গ্যারান্টি মেয়াদ পার হয়েছে। নওপাজেকো পেট্রোবাংলা থেকে জ্বালানির নিশ্চয়তা পেলে আগামী বছর কমিশনিংয়ের প্রস্তুতি নিতে চায়; তবে বাণিজ্যিক উৎপাদন গ্যাসের প্রাপ্যতার ওপর নির্ভর করছে।