২৭ অক্টোবরের নির্বাচনে আরব ভোটারদের ব্যাপক অংশগ্রহণের পর ফিলিস্তিনি দলগুলো ইসরাইলের নেসেটে রেকর্ড ১৯টি আসন পেয়েছে। ফিলিস্তিনি-অধ্যুষিত আরাবেহসহ বিভিন্ন এলাকায় ভোটার উপস্থিতি ছিল উল্লেখযোগ্য। এই ফল রাজনৈতিক সমীকরণে নতুন সম্ভাবনা তৈরি করলেও ফিলিস্তিনি নাগরিকদের রাজনৈতিক অধিকার ও আনুগত্য নিয়ে ডানপন্থি রাজনীতিকেরা নতুন প্রশ্ন তুলেছেন। চ্যানেল ১৪ আরব ভোটারদের উপস্থিতিকে ‘নির্বাচনি সন্ত্রাসবাদ’ বলেও উল্লেখ করে।
লিকুদ ও ইতামার বেন-গভিরসহ ডানপন্থি নেতারা আরব দলগুলোর বিরুদ্ধে ঘুষ, হুমকি, সহিংসতা ও জালিয়াতির অভিযোগ তোলেন। তবে কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন ও পুলিশ সংগঠিত কারচুপির কোনো প্রমাণ পায়নি। অধিকারকর্মী লামা ইয়াসিন বলেন, সামাজিক সম্পর্কে আরবদের বন্ধু বলা হলেও রাজনৈতিক ক্ষমতায় অংশ নিতে চাইলে তাদের সন্ত্রাসের সমর্থক হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। ওমর সিকসিকের মতে, ভোট দেওয়াই ফিলিস্তিনি ও ইহুদি নাগরিকদের সমতার প্রধান ক্ষেত্র।
নির্বাচনের পর সাংবাদিক ও অধিকারকর্মী আবেদ আবু শেহাদেহ গ্রেপ্তার হন এবং আরব রাজনৈতিক নেতাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। আরব দলগুলো নেতানিয়াহু সরকার অপসারণ ও গাদি আইজেনকটকে প্রধানমন্ত্রী করার পক্ষে অবস্থান নেয়। তবে বিরোধী জোট সরকার গঠনের পর তাদের সমর্থন বজায় রাখবে কি না, তা নিয়ে সংশয় প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা।