তিস্তা নদী সমন্বিত ব্যবস্থাপনা ও পুনরুদ্ধার প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা ও সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ। বেইজিংয়ে দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে আলোচিত হয়। বৈঠক শেষে প্রকাশিত যৌথ বিবৃতিতে বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ (বিআরআই) এবং রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন ইস্যুতেও সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
চীনের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর আমন্ত্রণে ৫ থেকে ৭ মে বেইজিং সফর করেন বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৈঠকে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, আঞ্চলিক সহযোগিতা ও বৈশ্বিক নানা ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বাংলাদেশ চীনের দীর্ঘদিনের সহায়তার জন্য কৃতজ্ঞতা জানায় এবং তিস্তা প্রকল্পে চীনের অংশগ্রহণ কামনা করে। কূটনৈতিক মহলে মনে করা হচ্ছে, এই প্রকল্পে চীনের সম্পৃক্ততা বাংলাদেশের পানি ব্যবস্থাপনা ও আঞ্চলিক উন্নয়নে নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে, যদিও এতে ভারতের আপত্তি রয়েছে।
যৌথ বিবৃতিতে দুই দেশ রাজনৈতিক আস্থা বৃদ্ধি, উন্নয়ন কৌশলের সমন্বয় এবং কৌশলগত অংশীদারত্ব এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে একমত হয়। তারা মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করে এবং অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানায়।