বীরপ্রতীক খেতাবপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট কর্নেল হাসিনুর রহমান মঙ্গলবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ দ্বিতীয় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন। তিনি বলেন, আওয়ামী লীগের দেড় দশকের শাসনামলে দুই দফা গুমের পর মুক্তির আগে তাকে শর্ত দেওয়া হয়েছিল যে তিনি শেখ হাসিনা, আওয়ামী লীগ, ডিজিএফআই ও ভারত সম্পর্কে কিছু বলতে পারবেন না। শেখ হাসিনার অনুমতি সাপেক্ষে তাকে মুক্তি দেওয়া হয়।
হাসিনুর জানান, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০ রাতে চোখ বেঁধে ও হাতকড়া পরিয়ে তাকে বাসার কাছাকাছি নামিয়ে দেওয়া হয়। পরে তিনি মানবাধিকার সংস্থা ও গণমাধ্যমকে ‘আয়নাঘর’ সম্পর্কে অবহিত করেন। এর পর ডিজিএফআই তার বিরুদ্ধে তথ্যপ্রযুক্তি আইনে একাধিক মামলা করে। তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের আগস্টের পর তদন্ত কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়নাঘর পরিদর্শন করে তিনি বন্দিদের অবস্থান শনাক্ত করেন।
ট্রাইব্যুনালে হাসিনুর বলেন, তার উদ্দেশ্য প্রতিশোধ নয়, বরং যেন এ ধরনের অপরাধ আর না ঘটে এবং জাতি আয়নাঘরের বাস্তবতা জানতে পারে।