ভারত ও মিয়ানমারের অগ্রগতির মধ্যে বঙ্গোপসাগরে তেল, গ্যাস ও খনিজ সম্পদ অনুসন্ধান বাড়াতে বাংলাদেশ নতুন করে প্রস্তুতি শুরু করেছে। সরকার গভীর ও অগভীর সমুদ্রের ব্লকের জন্য আন্তর্জাতিক দরপত্র আহ্বান করেছে। দরপত্র কেনা ও জমা দেওয়ার সময়সীমা ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে এবং পেট্রোবাংলা ৫৫টি কোম্পানিকে ই-মেইলে আমন্ত্রণ জানিয়েছে।
নীতিনির্ধারকদের ভাষ্য অনুযায়ী, ১৯৯৪ সালের পর বঙ্গোপসাগরে কার্যকর অনুসন্ধান উদ্যোগ নেওয়া হয়নি। ১৬ নম্বর ব্লকের সাঙ্গু গ্যাসক্ষেত্র থেকে ১৯৯৮ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত গ্যাস উত্তোলন হয়, পরে মজুত শেষ হলে তা বন্ধ হয়। কনোকোফিলিপস ২০১৫ সালে দুটি গভীর সমুদ্র ব্লক ছেড়ে যায় এবং সান্তোস ২০২০ সালে একটি অগভীর সমুদ্র ব্লক ত্যাগ করে।
অফশোর মডেল পিএসসি ২০২৬-এ বিদেশে পুরো মুনাফা নেওয়া এবং আন্তর্জাতিক বাজারদরের সঙ্গে গ্যাসের দাম সমন্বয়ের সুযোগ রাখা হয়েছে। অগভীর ও গভীর সমুদ্র ব্লকে ১০০ শতাংশ কস্ট রিকভারির সুযোগ থাকলেও বছরে তা ৭৫ শতাংশের বেশি হবে না। অগভীর সমুদ্রে অংশীদারত্ব চুক্তিতে বাপেক্সের জন্য ১০ শতাংশ নিশ্চিত করার কথাও জানিয়েছে সরকার।