কুড়িগ্রামের চিলমারীতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বদলিতে নীতিমালা ও জ্যেষ্ঠতা লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাহমুদুল হাসানের বিরুদ্ধে। শিক্ষক সমাজের অভিযোগ, মানবিক কারণ দেখিয়ে অনিয়ম ও আর্থিক লেনদেনের সুযোগ তৈরি করা হয়েছে। বদলি আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তিকরণ কমিটির সভাপতি ইউএনও মাহমুদুল হাসান অভিযোগ অস্বীকার করে বলেছেন, স্পষ্ট নীতিমালা মেনেই সব বদলি কার্যক্রম সম্পন্ন হয়েছে।
অভিযোগ অনুযায়ী, ১১ জনের বদলির আদেশের মধ্যে অন্তত আটজনের ক্ষেত্রে নীতিমালা লঙ্ঘিত হয়েছে। মোছা. তামান্না ইসলাম তৃষাকে নাওশালা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে ফকিরপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বদলির ক্ষেত্রে জ্যেষ্ঠতা উপেক্ষার অভিযোগ রয়েছে। মো. নুর আলমকে গৌড়মোহনহাট সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে রাজারভিটায় বদলি দেওয়ার পর আগের বিদ্যালয়টি শিক্ষকশূন্য হয়েছে বলে জানা গেছে।
মুদাফৎ কালিকাপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে মাতৃত্বকালীন ছুটিতে থাকা মোছা. মাসুমা আক্তারকে বদলি দেওয়ায় সেখানে একজন শিক্ষক দেড় শতাধিক শিক্ষার্থীর দায়িত্বে থাকছেন বলে অভিযোগ। বিদ্যালয়টিতে ১৫২ শিক্ষার্থী, ছয়টি অনুমোদিত পদ এবং বদলির আগে দুইজন কর্মরত শিক্ষক ছিলেন। ইউএনও বলেন, ওই বদলিতে মানবিক দিক বিবেচনা করা হয়েছে। প্রধান শিক্ষক জিয়ারা খাতুন প্রতিস্থাপন ছাড়া বদলিকে অনিয়ম বলে উল্লেখ করেছেন।