জুলাই বিপ্লবের সময় নীলফামারীতে পুলিশের হামলায় গুরুতর আহত সাংবাদিক রায়হান আলী বর্তমানে থাইল্যান্ডের ভেজথানি হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর লড়াই করছেন। ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট চৌরঙ্গী মোড়ে দায়িত্ব পালনকালে তিনি হামলার শিকার হন। নীলফামারী সদর হাসপাতাল, রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সিএমএইচে চিকিৎসার পর চিকিৎসকদের পরামর্শে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য থাইল্যান্ডে নেওয়া হয়।
পরিবারের সদস্যদের মতে, রায়হানের শরীরে এখন পর্যন্ত ১৮টিরও বেশি অস্ত্রোপচার হয়েছে এবং সামনে আরও কয়েকটি অস্ত্রোপচার বাকি। তার শারীরিক অবস্থা এখনও সংকটাপন্ন। নীলফামারীতে তার বৃদ্ধ বাবা-মা ও চার বছরের ছেলে লাবিব চরম উদ্বেগ ও আর্থিক অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। চিকিৎসার খরচ চালাতে গিয়ে পরিবারের সব সঞ্চয় শেষ হয়ে গেছে।
সহকর্মী সাংবাদিকরা রায়হানের চিকিৎসা ও পরিবারের সহায়তায় সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগের আহ্বান জানিয়েছেন, এটিকে মানবিক ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেছেন।