২০২৬ সালের মার্চের মাঝামাঝি বেইজিংয়ে দুই দিনের বৈঠকে মুখোমুখি হন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ২০১৭ সালের পর এটি ছিল তাদের প্রথম সাক্ষাৎ। বৈঠকের উদ্দেশ্য ছিল দুই দেশের সম্পর্ককে শান্ত ও স্থিতিশীল করা। উভয় নেতা বৈঠককে সফল বলে দাবি করেন। শি বলেন, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বাড়ানো ও পারস্পরিক উদ্বেগ সমাধানে ঐকমত্য হয়েছে। ট্রাম্প শিকে ‘বন্ধু’ আখ্যা দিয়ে সফর নিয়ে সন্তুষ্টি প্রকাশ করেন। তবে দুই দেশের পৃথক বিবৃতিতে দেখা যায়, বাণিজ্য, তাইওয়ান, ইরান ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা নিয়ে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বৈঠকের আগে মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ও চীনের উপ-প্রধানমন্ত্রী হে লিফেং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ কাউন্সিল গঠনের বিষয়ে আলোচনা করেছিলেন। কিন্তু বৈঠক শেষে বাণিজ্য যুদ্ধের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোসহ গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো অনির্ধারিত থেকে যায়। চীন কিছু চুক্তি নিশ্চিত করলেও মার্কিন পক্ষের দাবি করা বোয়িং ও কৃষিপণ্য ক্রয়ের বিষয়ে নিশ্চয়তা দেয়নি। শি তাইওয়ান ইস্যুকে যুদ্ধের সম্ভাব্য কারণ হিসেবে সতর্ক করেন, আর ট্রাম্প প্রতিরক্ষা প্রতিশ্রুতি নিয়ে অস্পষ্ট থাকেন।
বৈঠকটি দেখায়, সৌজন্যমূলক পরিবেশের আড়ালে দুই দেশের কৌশলগত অবিশ্বাস এখনো গভীর, এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্ক অনিশ্চিত রয়ে গেছে।