রাজধানীর বিভিন্ন বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতারা জানিয়েছেন, ঈদের পর চালের দাম বেড়েছে, যদিও সরকার বলছে সরবরাহ ও দাম স্থিতিশীল রয়েছে। কারওয়ান বাজার, বাদামতলী ও নয়াবাজারসহ বিভিন্ন স্থানে চাল, আটা ও ডালের দাম বাড়লেও সবজি, মুরগি ও ডিমের দাম কমেছে। ক্রেতারা অভিযোগ করেছেন, এই মূল্যবৃদ্ধি নিম্নআয়ের মানুষের জীবনে চাপ সৃষ্টি করছে।
ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বড় করপোরেট ক্রেতারা ধান কিনে বাজারে প্রতিযোগিতা সৃষ্টি করায় চালের দাম বেড়েছে। টিসিবির তালিকাতেও দাম বৃদ্ধির উল্লেখ রয়েছে। তবে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, বাজারে বড় কোনো অস্থিতিশীলতা নেই এবং সামান্য দামের পার্থক্য স্বাভাবিক। খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী জানিয়েছেন, সরকারের গুদামে ২০ লাখ টনের বেশি খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে এবং প্রয়োজনে সরকার বাজারে হস্তক্ষেপ করবে।
২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে চাল, ডাল, তেলসহ ৬০টি নিত্যপণ্যের ওপর কর কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে, যাতে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং বাজারে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা বজায় থাকে।