ইরানের সঙ্গে চলমান যুদ্ধের কারণে এশিয়া জুড়ে তীব্র অর্থনৈতিক অস্থিরতা দেখা দিয়েছে বলে ১১ মে ২০২৬ তারিখে প্রকাশিত প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে। জ্বালানি সংকটের ফলে ঘরে বসে কাজ, জ্বালানি তেলের দীর্ঘ লাইন এবং ঘন ঘন লোডশেডিং এখন অনেক দেশের দৈনন্দিন চিত্র। সরকারগুলো নিজেদের অর্থনীতি রক্ষায় হিমশিম খাচ্ছে।
জ্বালানি তেলের ঘাটতি মোকাবিলায় কোনো কোনো দেশ রেশনিং ব্যবস্থা চালু করেছে, কেউ ভর্তুকি ফিরিয়ে এনেছে, আবার কেউ রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ চলাচল যতদিন ব্যাহত থাকবে, ততদিন এশিয়ার পরিস্থিতি আরও খারাপ হবে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম বাড়ায় আমদানি ব্যয় বেড়েছে এবং রেমিট্যান্স কমে স্থানীয় মুদ্রার মান দুর্বল হয়েছে।
অনেক দেশ বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ব্যবহার করছে, কেউ উচ্চ সুদে ঋণ নিচ্ছে, আবার কেউ বাজেট কাটছাঁট করছে। সব মিলিয়ে এশিয়া এখন গভীর অর্থনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে।