মধ্যপ্রাচ্যে উত্তেজনা কমাতে এবং আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনতে বড় কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়েছে ইরাক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হুসাইন জানিয়েছেন, পারস্য উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদের (জিসিসি) আটটি দেশ ও ইরানের মধ্যে বিদ্যমান দ্বিমত দূর করতে ইরাক মধ্যস্থতার প্রস্তাব দিয়েছে। সাম্প্রতিক মার্কিন ও ইসরাইলি সামরিক অভিযান এবং কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালী বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ইরাক মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
খবরে বলা হয়েছে, ইরাকি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ফুয়াদ হুসাইন এ বিষয়ে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। হরমুজ প্রণালী বন্ধ থাকায় ইরাকের অর্থনীতি তীব্র সংকটে পড়েছে, কারণ দেশটির প্রায় ৯৫ শতাংশ জাতীয় রাজস্ব আসে এই প্রণালী দিয়ে তেল রপ্তানি থেকে। আরাগচির সফরের আরেকটি উদ্দেশ্য হলো ইরানের প্রয়াত সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনেই-এর জানাজা ও শেষকৃত্যের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা।
এই সফরটি এমন সময়ে হচ্ছে যখন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সমঝোতা স্মারক নড়বড়ে অবস্থায় রয়েছে। তেহরান যুক্তরাষ্ট্রকে চুক্তির শর্তাবলী মেনে চলার আহ্বান জানিয়েছে এবং দক্ষিণ ইরানের সামরিক ঘাঁটি ও বন্দর অবকাঠামোতে মার্কিন হামলার নিন্দা পুনর্ব্যক্ত করেছে।