রয়টার্সের বরাতে জানা গেছে, শনিবার ভোরে ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির কার্যালয়ের কাছে হামলা চালিয়েছে ইসরাইল। এক সরকারি কর্মকর্তা জানান, খামেনি রাজধানী তেহরানে ছিলেন না এবং তাকে একটি নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। ইসরাইল এই হামলাকে ‘আগাম প্রতিরোধমূলক হামলা’ হিসেবে বর্ণনা করেছে।
শনিবার সকালে ইসরাইল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথভাবে ইরানে হামলা শুরু করে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, এই হামলার লক্ষ্য ইরানের শাসনব্যবস্থার পতন ঘটানো। তিনি ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড বাহিনীকে অস্ত্র জমা দেওয়ার আহ্বান জানান।
ঘটনার পর ইরান জানিয়েছে, তারা ইসরাইল-মার্কিন হামলার ‘অপ্রতিরোধ্য জবাব’ দেবে। দেশটিতে ইন্টারনেট সংযোগও প্রায় বিচ্ছিন্ন হওয়ার পথে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।