মার্কিন সংবাদমাধ্যম অ্যাক্সিওসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের অর্থনীতির জন্য গুরুত্বপূর্ণ খারগ দ্বীপ দখল বা অবরোধের পরিকল্পনা বিবেচনা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এই পদক্ষেপের লক্ষ্য হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নিয়ন্ত্রণ ভেঙে দেওয়া এবং দেশটিকে প্রণালিটি পুনরায় খুলতে বাধ্য করা। প্রতিবেদনে অন্তত চারটি সূত্রের বরাত দিয়ে বলা হয়, ইরানের সঙ্গে চলমান সংঘাতের সমাধানে এই কৌশলগত চাপকে অপরিহার্য মনে করছে মার্কিন প্রশাসন। ইরানের প্রায় ৯০ শতাংশ অপরিশোধিত তেল এই দ্বীপের মাধ্যমেই প্রক্রিয়াজাত ও রপ্তানি হয়।
প্রতিবেদনে সতর্ক করা হয়েছে, এমন অভিযান ইরানের কাছাকাছি অবস্থানের কারণে মার্কিন সেনাদের বড় ঝুঁকিতে ফেলতে পারে। ইতোমধ্যেই অঞ্চলটিতে মার্কিন সামরিক উপস্থিতি বাড়ানো হয়েছে এবং অতিরিক্ত সেনা মোতায়েনের প্রস্তুতি চলছে। পরিকল্পনায় বলা হয়েছে, দ্বীপ দখলের আগে কয়েক সপ্তাহ ধরে সামরিক হামলা চালিয়ে ইরানের প্রতিরক্ষা দুর্বল করা হতে পারে, তবে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
সামরিক বিশ্লেষক ও সাবেক মার্কিন নৌ কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই অভিযান অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং ইরানকে আলোচনায় আনতে পারবে—এমন নিশ্চয়তা নেই। চলমান উত্তেজনায় বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারে অস্থিরতা দেখা দিয়েছে, যা আন্তর্জাতিক অর্থনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।