ইরানের এক্সপ্লোসিভ মিডিয়া নামের একটি দল লেগো-ধাঁচের অ্যানিমেটেড ভিডিওর মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমালোচনায় আন্তর্জাতিক মনোযোগ কেড়েছে। ২৯ মার্চ প্রকাশিত তাদের একটি জনপ্রিয় ভিডিওতে যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বিভিন্ন জনগোষ্ঠীর চিত্র তুলে ধরা হয়েছে—দাসত্বে আবদ্ধ কৃষ্ণাঙ্গ আমেরিকান থেকে শুরু করে হিরোশিমা, নাগাসাকি ও ইরান এয়ার ফ্লাইট ৬৫৫-এর নিহতদের স্মরণে বার্তা প্রদর্শিত হয়েছে। ভিডিওটির শেষে ট্রাম্প ও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহুর মূর্তি ভেঙে পড়ে এবং পর্দায় দেখা যায় “ওয়ান ভেনজেন্স ফর অল” লেখা। পরে গুগল মালিকানাধীন ইউটিউব তাদের চ্যানেল মুছে দেয়, যা নিয়ে দলটি সহিংসতা প্রচারের অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
১৯ থেকে ২৫ বছর বয়সী দশ তরুণের এই দলটি র্যাপ সঙ্গীত ও প্রতীকী রঙ ব্যবহার করে ন্যায়বিচার ও প্রতিরোধের বার্তা দেয়। তারা দাবি করে, রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম তাদের কিছু কাজ কিনলেও দলটি স্বাধীনভাবে পরিচালিত হয়। বিশ্লেষকরা আল জাজিরাকে বলেন, এই ভিডিওগুলো পশ্চিমা প্রভাবিত তথ্যযুদ্ধের বিরুদ্ধে ইরানের বিকল্প বর্ণনা তৈরি করছে এবং পাকিস্তানেও এর অনুকরণে অনুরূপ ভিডিও তৈরি হয়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, ইরানের এই ডিজিটাল প্রচারণা সামরিক নয়, বরং জনমত প্রভাবিত করার কৌশল হিসেবে কাজ করছে।