বাংলাদেশভিত্তিক একটি নিবন্ধে রাহির উদাহরণ দিয়ে অটিজম বিষয়ে সচেতনতা, প্রাথমিক শনাক্তকরণ ও বিশেষায়িত সহায়তার গুরুত্ব তুলে ধরা হয়েছে। ঢাকার মধ্যবিত্ত পরিবারের শিশু রাহির বয়স তিন বছর হলে শিশু মনোবিজ্ঞানীর পরীক্ষায় তার অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার শনাক্ত হয়। পরে তাকে জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের অধীন স্পেশাল স্কুল ফর চিলড্রেন উইথ অটিজমে ভর্তি করা হয় এবং তার জন্য ব্যক্তিকেন্দ্রিক শিক্ষা পরিকল্পনা করা হয়।
রাহির পরিকল্পনায় যোগাযোগ দক্ষতার জন্য স্পিচ থেরাপি, সূক্ষ্ম মোটর দক্ষতা ও দৈনন্দিন স্বাধীনতার জন্য অকুপেশনাল থেরাপি, আচরণগত থেরাপি এবং দলগত থেরাপি ছিল। তার মা-বাবাও কাউন্সেলিংয়ে অংশ নিয়ে সহায়ক ও ধৈর্যশীল আচরণের কৌশল শেখেন। নিবন্ধে বলা হয়েছে, অটিজম মস্তিষ্কের বিকাশজনিত সমস্যা; সাধারণত জীবনের প্রথম তিন বছরের মধ্যে এর প্রকাশ ঘটে এবং ব্যক্তিভেদে লক্ষণ ও তীব্রতা ভিন্ন হয়।
সূত্র অনুযায়ী, দেশের ৬৪ জেলা ও ৩৯ উপজেলায় ১০৩টি কেন্দ্রে অটিজম কর্নার চালু আছে। সেনানিবাসে প্রয়াস নামে বিদ্যালয়ে অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। ২০১৮ সালের সমাজসেবা অধিদপ্তরের জরিপে দেশে প্রায় ৪২ হাজার ৪৫০ অটিজম আক্রান্ত শিশুর কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট ওষুধভিত্তিক চিকিৎসা নেই, তবে থেরাপি ও শিক্ষার মাধ্যমে উন্নতি সম্ভব।