আসন্ন ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে বরাদ্দ বাড়ানোর প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। বিশেষজ্ঞ ও নীতিনির্ধারকরা বলছেন, শিক্ষার মানোন্নয়ন ও গবেষণায় জোর দিতে হলে বাজেট বৃদ্ধি অপরিহার্য। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পরও দেশের শিক্ষা বাজেট জিডিপির দুই শতাংশের নিচে রয়ে গেছে, যা ইউনেস্কোর সুপারিশকৃত চার থেকে ছয় শতাংশের তুলনায় অনেক কম। বর্তমান বিএনপি সরকার নির্বাচনি ইশতেহারে শিক্ষা খাতে জিডিপির পাঁচ শতাংশ বরাদ্দের অঙ্গীকার করেছে এবং ধাপে ধাপে তা বাস্তবায়নের ইঙ্গিত দিয়েছে।
নওগাঁ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক হাসানাত আলী বলেন, বর্তমান বাজেটের প্রায় ৯০ শতাংশ ব্যয় হয় বেতন ও অবকাঠামোতে, কিন্তু শিক্ষক প্রশিক্ষণ ও গবেষণায় বরাদ্দ নেই। গণসাক্ষরতা অভিযানসহ নাগরিক সংগঠনগুলো শিক্ষা বাজেটকে ব্যয় নয়, বিনিয়োগ হিসেবে দেখার আহ্বান জানিয়েছে। সংসদে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলনও বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
সংশ্লিষ্টরা প্রস্তাব করেছেন, আগামী বাজেটে শিক্ষা খাতে জিডিপির আড়াই শতাংশ বরাদ্দ দিয়ে তিন বছরের মধ্যে তা পাঁচ শতাংশ এবং পাঁচ বছরের মধ্যে ছয় শতাংশে উন্নীত করা উচিত, যাতে আন্তর্জাতিক মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রক্ষা করা যায়।