দাসত্ব ও শোষণ নির্মূলে বৈশ্বিক উদ্যোগ জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদে ‘আন্তর্জাতিক দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের শিকারদের স্মরণে’ আয়োজিত স্মারক সভায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান এই আহ্বান জানান। তিনি দাসত্ব ও ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্যের লাখ লাখ শিকার মানুষের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান এবং স্বাধীনতা ও ন্যায়ের জন্য লড়াই করা সাহসী মানুষের অদম্য মানসিকতার প্রশংসা করেন।
খলিলুর রহমান বলেন, ট্রান্স-আটলান্টিক দাসবাণিজ্য মানবজাতির ওপর স্থায়ী দাগ রেখে গেছে। দাসত্ব, বর্ণবাদ, গণহত্যা ও সব ধরনের নিপীড়নের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের অটল অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করে তিনি উল্লেখ করেন যে দেশের সংবিধান সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ, বর্ণবাদ ও বৈষম্য প্রত্যাখ্যান করে এবং শোষিত জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করে। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে ১৯২৬ সালের দাসত্ব সংক্রান্ত কনভেনশন ও মানবাধিকার সনদ দাসত্বকে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী মানব পাচার প্রতিরোধ, ডিজিটাল ফরেনসিক সমন্বয় এবং দাসত্বের মানবিক ও সভ্যতাগত ক্ষতি বিষয়ে শিক্ষা ও সংলাপে বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে আহ্বান জানান এমন একটি বিশ্ব গড়তে, যেখানে দাসত্ব, বৈষম্য ও অন্যায়ের কোনো স্থান থাকবে না।