ইন্দোনেশিয়ার সুমাত্রা ও কালিমান্তান দ্বীপের দাবানল এবং কৃষিজমি পরিষ্কারে বন পোড়ানোর ধোঁয়া সীমান্ত পেরিয়ে মালয়েশিয়ার বিভিন্ন এলাকাকে আচ্ছন্ন করেছে। ধোঁয়াশার প্রভাব কমিয়ে বায়ুর মান উন্নত করতে মালয়েশিয়া সরকার শনিবার ও রোববার, ২০ সেপ্টেম্বর, ক্লাউড সিডিং বা কৃত্রিম বৃষ্টির কার্যক্রম পরিচালনা করবে। জাতীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সংস্থা নাদমা, আবহাওয়া বিভাগ, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ এবং রয়্যাল মালয়েশিয়ান এয়ার ফোর্স যৌথভাবে এ অভিযান চালাবে।
নাদমার মহাপরিচালক দাতুক মেওর ইসমাইল মেওর আকিম বলেন, পরিবেশ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় ২৪ ঘণ্টার বেশি সময় পিএম২.৫-এর মাত্রা ১৫০-এর ওপরে থাকায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অভিযানে প্রধান বিমান হিসেবে রয়্যাল মালয়েশিয়ান এয়ার ফোর্সের একটি সি-১৩০ হারকিউলিস ব্যবহার করা হবে। তবে কার্যক্রমের সফলতা আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও উপযুক্ত মেঘের উপস্থিতির ওপর নির্ভর করবে।
শনিবার স্থানীয় সময় দুপুর ১টা পর্যন্ত ১৭টি বায়ুমান পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে অস্বাস্থ্যকর এপিআই রেকর্ড হয়েছে। শাহ আলমের রিডিং ছিল ১৫৪, আর সারাওয়াকের সেরিয়ানে সর্বোচ্চ ১৭৬। কুচিংয়ে ১৭২, শ্রী আমানে ১৬৬, সামারাহানে ১৬৫, সিবুতে ১৫৮, সারিকাইয়ে ১৫০ এবং বিন্টুলুতে ১০৩ রিডিং পাওয়া গেছে। কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, বায়ুর মান পর্যবেক্ষণ ও ধোঁয়াশা কমানোর কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।