ইরানে চলমান ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ এবং হরমুজ প্রণালির অচলাবস্থা নিরসনে জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বড় ধরনের কূটনৈতিক উদ্যোগ ঘোষণা করেছেন। পলিটিকোকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, ২০২২ সালের কৃষ্ণসাগরীয় শস্য চুক্তির মতো জাতিসংঘ হরমুজ প্রণালিতেও মধ্যস্থতা করতে প্রস্তুত। উপসাগরীয় দেশগুলো ও ইউরোপীয় কাউন্সিলের সঙ্গে উচ্চপর্যায়ের আলোচনা ইতিমধ্যে শুরু হয়েছে, যাতে জ্বালানি ও খাদ্যবাহী জাহাজ নিরাপদে চলাচল করতে পারে এবং বৈশ্বিক বাজারে স্থিতি ফিরে আসে।
গুতেরেস মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের একক সিদ্ধান্ত ও তার গঠিত ‘বোর্ড অব পিস’-এর কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, এটি মূলত ব্যক্তিগত প্রকল্প, যেখানে আন্তর্জাতিক জবাবদিহি অনুপস্থিত। যদিও গাজা পুনর্গঠনের ক্ষেত্রে জাতিসংঘ কিছু সহযোগিতা করছে, ইরান সংকটে ট্রাম্পের একলা চলো নীতি বৈশ্বিক কূটনীতিতে অচলাবস্থা তৈরি করেছে। দক্ষিণ কোরিয়া, জাপান ও ইউরোপীয় দেশগুলো নৌপথ বন্ধে উদ্বেগ জানিয়েছে এবং জ্বালানি সরবরাহে বড় প্রভাবের আশঙ্কা করছে।
বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন, দ্রুত কোনো কূটনৈতিক চুক্তি না হলে সমুদ্রে সামরিক ভুল-বোঝাবুঝি বা দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এখন বিশ্ব অপেক্ষা করছে জাতিসংঘ কি একটি সর্বজনগ্রাহ্য শান্তিচুক্তি আনতে পারবে।