চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বিভিন্ন কুমারপাড়ার মৃৎশিল্পীরা পুঁজি, আধুনিক যন্ত্রপাতি, কাঁচামাল ও বাজারসংকটে টিকে থাকার লড়াই করছেন। তারা এখনো মাটির হাঁড়ি-পাতিল, ফুলের টবসহ ঐতিহ্যবাহী ও শৌখিন পণ্য তৈরি করছেন। তবে আর্থিক সংকটের কারণে অনেক কারিগর পেশা বদল করছেন এবং সম্ভাবনাময় এ শিল্প হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
সাধনপুরের দক্ষিণ ও উত্তর সাধনপুরের রৌদ্রপাড়ায় প্রায় শতাধিক পরিবার, কালীপুরের কুমারপাড়ায় সাত থেকে আটটি পরিবার এবং পৌরসভার পূর্বাংশ, পুকুরিয়া ও চাম্বলের কিছু এলাকায় কুমাররা এখনো এ পেশায় জীবিকা নির্বাহ করেন। একসময় মাটির তৈরি সামগ্রী ঘরের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য ছিল। কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম, স্টিল, প্লাস্টিক ও মেলামাইনের ব্যবহার বাড়ায় এসব পণ্যের চাহিদা কমেছে।
কারিগররা জানান, চট্টগ্রাম শহর, বান্দরবান ও বাজালিয়া থেকে পাইকাররা পণ্য কিনতে আসেন, তবে পুরোনো পদ্ধতির কারণে মান ও বৈচিত্র্য সীমিত। কারিগর সঞ্জিত রুদ্র প্রশিক্ষণ নিলেও যন্ত্রপাতি ও পুঁজির অভাবে পুরোনো পদ্ধতিতেই কাজ করছেন। এনজিও সমন্বয়কারী মো. নজরুল ইসলাম সহজ কিস্তিতে ঋণের কথা বলেছেন। যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মো. শওকতুজ্জামান আবেদনকারীদের প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করার চেষ্টা করবেন বলে জানান।