আমার দেশ-এ প্রকাশিত এক মতামত নিবন্ধে ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে বলেছেন, নিহত ও আহতদের দাবিগুলো এখনও পূরণ হয়নি। ৫ আগস্ট ২০২৬ প্রকাশিত লেখায় তিনি উল্লেখ করেন, দুই বছর আগে অন্তত ১ হাজার ৪০০ মানুষ নিহত এবং ২০ হাজারের বেশি আহত হন। তাঁর ভাষ্যে, ক্ষমতার হাতবদল হলেও রাষ্ট্রের মূল কাঠামো ও বন্দোবস্ত বদলায়নি।
লেখক বলেন, সংস্কারের প্রতিশ্রুতির পর কমিশন, সুপারিশ ও ১৩৩টি অধ্যাদেশ হলেও গুম থেকে সুরক্ষা, মানবাধিকার রক্ষা, স্বাধীন উচ্চ আদালত এবং বিচারক নিয়োগসংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ বিধান নির্বাচিত সংসদে বাদ পড়েছে। তাঁর মতে, প্রধানমন্ত্রীর হাতে নির্বাহী, আইনসভা ও বিচার বিভাগের ওপর ক্ষমতা কেন্দ্রীভূত থাকার সাংবিধানিক বিন্যাস স্বৈরতান্ত্রিক প্রবণতার ভিত্তি তৈরি করে।
নিবন্ধে গণভোট বা সংবিধান সভার মাধ্যমে সংস্কার, ক্ষমতার পৃথকীকরণ, স্থানীয় সরকার শক্তিশালী করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংক, নির্বাচন কমিশন, আদালত ও দুদকের স্বাধীনতার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। রাজনৈতিক দল, সামরিক বাহিনী, আমলাতন্ত্র, গণমাধ্যম ও নাগরিক সমাজের সমন্বিত ভূমিকার কথাও বলা হয়। শিক্ষা সংস্কার, কর্মসংস্থান, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ, খেলাপি ঋণ পুনরুদ্ধার এবং বাদ পড়া অধ্যাদেশ ফিরিয়ে আনার দাবি জানানো হয়েছে।