জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)সহ ১১ দলীয় ঐক্যের সংসদ সদস্যরা অভিযোগ করেছেন যে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে বিরোধী দল হিসেবে তারা সরকারি বরাদ্দ ও প্রশাসনিক সহযোগিতায় বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হওয়া সত্ত্বেও স্থানীয় উন্নয়ন কার্যক্রমে তাদের মতামত উপেক্ষা করা হচ্ছে এবং সরকারি দল ও প্রশাসনের পক্ষ থেকে নানা বাধা ও অবমূল্যায়নের মুখোমুখি হতে হচ্ছে বলে তারা দাবি করেন। সংসদ অধিবেশনে এসব অভিযোগ তুলে ধরে তারা সমান বরাদ্দ ও সহযোগিতা দাবি করেন।
জামায়াতের হুইপ মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান জানান, সরকারদলীয় এমপিরা যেখানে এক থেকে দেড় কোটি টাকা বরাদ্দ পাচ্ছেন, সেখানে বিরোধী দলের এমপিদের দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০–১৫ লাখ টাকা। এনসিপির সংসদ সদস্যরাও প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় বরাদ্দে বৈষম্যের অভিযোগ করেন। জবাবে ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব বলেন, স্থানীয় চাহিদা অনুযায়ী বরাদ্দ দেওয়া হয় এবং বিরোধী দলের এমপিরাও শিগগিরই বরাদ্দ পাবেন।
বিরোধী দলের আরও কয়েকজন এমপি প্রশাসনিক অসহযোগিতা, রাজনৈতিক প্রভাব ও হামলার ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেন। তারা বলেন, জনগণের প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করতে সরকারের ন্যায্য সহযোগিতা প্রয়োজন।