ইসরাইল ও ইরানের পাল্টাপাল্টি হামলায় মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সংযমের আহ্বান জানালেও ইসরাইলের সাম্প্রতিক হামলা ওয়াশিংটন-তেহরান সম্পর্ককে অনিশ্চয়তায় ফেলেছে। বিশ্লেষকদের মতে, এই পরিস্থিতি চলমান পারমাণবিক আলোচনা ও নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার নিয়ে দর-কষাকষিতে ইরানের অবস্থানকে আরও শক্তিশালী করতে পারে।
এপ্রিলে যুদ্ধবিরতির পর প্রথমবার ইরানের স্থাপনায় হামলা চালায় ইসরাইল, যা বৈরুতে ইসরাইলি হামলার প্রতিক্রিয়ায় ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপের পর ঘটে। ট্রাম্প দাবি করেন, তিনি ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহুকে পাল্টা হামলা থেকে বিরত থাকতে বলেছিলেন, কিন্তু কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইসরাইল হামলা চালায়। বিভিন্ন সূত্র জানায়, যুক্তরাষ্ট্র সীমিত পরিসরে ইসরাইলের পদক্ষেপ সম্পর্কে অবগত ছিল এবং হামলায় সমন্বয়ও ছিল।
সংঘাতের মধ্যেও উভয় পক্ষ কূটনৈতিক তৎপরতা চালিয়ে যাচ্ছে। ট্রাম্প দাবি করছেন, ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি প্রায় সম্পন্ন, আর ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলছেন, সামরিক শক্তি ও কূটনীতির সমন্বয়ই দেশের স্বার্থ রক্ষা করছে। পর্যবেক্ষকদের মতে, বর্তমান পরিস্থিতি ইরানকে আলোচনায় বাড়তি সুবিধা দিয়েছে।