বাংলাদেশের দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সাংবাদিক মুন্নী সাহার ব্যাংক হিসাব ও স্থায়ী আমানতে বড় ধরনের গরমিল পেয়েছে। ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়, যেখানে প্রায় ১২ কোটি টাকার এফডিআরের হিসাব মিলাতে পারেননি তদন্ত কর্মকর্তারা। প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার পতনের পর তার একটি অ্যাকাউন্ট থেকে ১২০ কোটি টাকা উত্তোলন করা হয়। বিধিবহির্ভূত লেনদেনের অভিযোগে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তার ব্যাংক হিসাব জব্দ করেছে।
দুদকের তথ্যমতে, মুন্নী সাহার মোট সম্পদ ১৩ কোটি ৮১ লাখ টাকা, যেখানে তার ঘোষিত আয় মাত্র ৩ কোটি ২৪ লাখ টাকা। তার স্বামী কবীর হোসেনের সম্পদের পরিমাণ ১৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকা, আয় ৮ কোটি ১৭ লাখ টাকা। দুদক অভিযোগ করেছে, মুন্নী সাহা অবৈধভাবে অর্থ উপার্জন করে বিদেশে পাচারের চেষ্টা করেছেন, যা মানি লন্ডারিং প্রতিরোধ আইন ২০১২-এর লঙ্ঘন। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হন এবং সময় চান।
দুদকের এক কমিশনার জানিয়েছেন, তদন্ত আগামী এক মাসের মধ্যে শেষ হবে। বিভিন্ন মাধ্যমে তদবিরের চেষ্টা চললেও দুদক অনুসন্ধান অব্যাহত রেখেছে।